বাকশালের ঐ লৌহ কপাট
(জিয়াদের চেয়েও ভয়ংকর ও গভীর পাইপের চিপায় পড়া গনতন্ত্রকে উদ্ধারের কঠিন দায়িত্ব যে তরুণদের উপর পড়েছে তাদের সংগ্রামের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে লেখা বিদ্রোহী কবির অমর কবিতার এই প্যারোডি খানি । জানি না কীভাবে এবং কখন তারা এই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করবে। কিন্তু তাদের প্রতি আস্থা আছে, এই কাজটি তারা করবেই করবে…… )
বাকশালের ঐ লৌহ কপাট,
ভেঙ্গে ফেল কর রে লোপাট,
নূর হুসেনদের রক্ত-জমাট ঐ গোপালির পাষান-বেদী।
ওরে ও তরুণ ঈশান,
বাজা তোর প্রলয় বিষাণ
ধ্বংস নিশান উড়ুক এই কপালির সবুজ-সাদা-কমলা রংয়ের ঐ শাড়ি ভেদি।
গণতন্ত্রের বাজনা বাজা,
এ দেশটির কে মালিক, কে সে রাজা,
কে এই ভাদা ভাবছে গাধা মুক্ত স্বাধীন এই জাতিটি রে?
হা হা হা পায় যে হাসি, বাকশালের গলায় পরবে ফাঁসি,
সর্বনাশী শিখায় এ হীন তথ্যবাবা কে রে!
ওরে ও সব পাগলা (আ)বুইল্যা ,
দেব রে তোদের লুঙ্গি খুইল্যা ,
দালালগুলায় চিপসে ধরে, মারো টান হেচ্কা টানে
মার হাঁক হায়দারী হাঁক, স্বৈরাচারী সব গোপালির বুক কেঁপে যাক
ডাক ওরে ডাক, মৃত্যুকে ডাক জীবন পানে।
নাচে ওই কালবোশাখী,
কাটাবী কাল বসে কি
দেরে দেখি বাকশালের ঐ ভিত্তি নাড়ি
লাথি মার ভাঙ্গরে তালা,
যত সব গোপালিশালায়-আগুন-জ্বালা, আগুন-জ্বালা,
ফেল উপাড়ি।।